প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সভাপতিবৃন্দ

এ কাফেলার হাল যারা ধরেছেন


মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দীন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (১৯৯০ অর্ধসেশন)। ১৯৬২ সালে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সিলেট সরকারী আলীয়া মাদরাসা থেকে কামিল ফীল হাদীস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.এস সম্মান (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) ও এম.এস.এস কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দীন একজন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগর শাখার অন্যতম যুগ্ম আহবায়ক, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সদস্য, ঢাকা যাত্রী কল্যাণ সংস্থার কেন্দ্রীয় সদস্য ও ঢাকা পেপার মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন।

অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ ছাত্র মজলিসের প্রতিষ্ঠাকালীন সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (১৯৯০-৯১ ও ১৯৯১-৯২ সেশন)। ১৯৬২ সালে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সিলেট সরকারি আলীয়া মাদরাসা থেকে কামিল ফীল হাদীস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ (ইসলামিক স্টাডিজ) কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

মাওলানা আব্দুল কাদির সালেহ লন্ডন প্রবাসী। তিনি একজন শিক্ষক, লেখক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব ও যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি হেফাজতে ইসলাম ইউকে এন্ড আয়ার এর সভাপতি, মানবাধিকার সংগঠন ভয়েস ফর জাস্টিস এর অন্যতম আহবায়ক, কোয়ালিশন ফর হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেমোক্র্যাসি ইউ.কে এর অন্যতম আহ্বায়ক, আলহুদা ইসলামিক সেন্টার ও মস্ক এর খতীব ও চেয়ারম্যান, আলআমীন ফাউন্ডেশন ও স্কুল এর চেয়ারম্যান, দেওবন্দী উলামাদের সর্বদলীয় প্লাটফরম কাউন্সিল অফ উলামা ইউকে এর সভাপতি, বৃটেনের সর্বদলীয় উলামা সংগঠন বাংলাদেশী মুসলিমস ইউকে এর মজলিসে কিয়াদতের অন্যতম সদস্য, লন্ডন নাগরিক কমিটি’র সাধারন সম্পাদকের দায়ীত্বে রয়েছেন।

এডভোকেট মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (১৯৯২-৯৩ ও ১৯৯৩-৯৪  সেশন)। ১৯৬৪ সালে বরগুনা জেলার বরগুনা উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম (অনার্স), এম.কম ও এল.এল.বি, কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

মুহাম্মদ জাহাঙ্গির হোসাইন একজন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট এর আজীবন সদস্য, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য, ঢাকা বরগুনা জেলা সমিতির সদস্য, প্রাক্তন ছাত্র ফোরাম স্থানীয় হাইস্কুল এন্ড কলেজের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

আ.খ.ম. হায়দার আলী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (১৯৯৩-৯৪ আংশিক, ১৯৯৪-৯৫, ১৯৯৫-৯৬ সেশন)। ১৯৬৫ সালে কুড়িগ্রাম জেলার দীঘল হালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এম.কম (ব্যবস্থাপনা) ও এল.এল.বি. কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

আ. খ. ম. হায়দার আলী একটি জাতীয় আর্থ-সামাজিক প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা ছিলেন। ২০০৬ সালের ৭ মার্চ দুপুর ১ ঘটিকায় থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মহান আল্লাহ তাঁকে মাগফিরাত দান করুন। আমীন।

শেখ গোলাম আসগর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (১৯৯৬-৯৭  সেশন)। ১৯৬৯ সালে রাজধানীর মতিঝিল থানার আরামবাগ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা) কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

শেখ গোলাম আসগর একজন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা পেপার মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

মুহাম্মদ মুনতাসির আলী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (১৯৯৭-৯৮, ১৯৯৮-৯৯ ও ১৯৯৯-২০০০ সেশন)। ১৯৭১ সালে সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ (বাংলা) ও দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.বিএ কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

মুহাম্মদ মুনতাসির আলী একজন ব্যবসায়ী, সম্পাদক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় শিশু কিশোর পত্রিকা মাসিক ‘গোলাপ কুড়ি’র সম্পাদক, সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজ এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, সিলেট এপার্টমেন্ট এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপ এর সহ-সাধারণ সম্পাদক, আর্ক রিয়েল এস্টেট (প্রা:) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হলি আরবান প্রপার্টিজ (প্রা:) লিমিটেড এর ভাইস-চেয়ারম্যান, সুরমা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন্স এর সত্ত্বাধিকারী, রামসুন্দর অগ্রগামী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের আজীবন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মাওলানা মুহাম্মদ জয়নুল ইসলাম বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০০০-০১ সেশন)। ১৯৬৯ সালে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সিলেট সরকারী আলীয়া মাদরাসা থেকে কৃতিত্বের সাথে কামিল ফীল হাদীস সম্পন্ন করেন।

মাওলানা মুহাম্মদ জয়নুল ইসলাম পেশায় একজন ব্যবসায়ি ও শিক্ষক। বর্তমানে সিলেটের সদর উপজেলার খাদিমপাড়াস্থ জামেয়া দারুল ইসলামের প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়ীক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

মাওলানা রুহুল আমীন সাদী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০০২-০৩ ও ২০০৩-০৪ অর্ধসেশন)। ১৯৭৩ সালে সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার ছায়াঢাকা পাখি ডাকা এক নিভৃত গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সিলেট আলিয়া মাদরাসা থেকে কামিল, ঢাকা উত্তর রানাপিং আরাবিয়া হুসাইনিয়া মাদরাসা থেকে তাকমিল ফীল হাদীস ও ঢাকা কলেজ থেকে এম. এ. (ইসলামিক স্টাডিজ) কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

রুহুল আমীন সাদী একজন গবেষক, কথাসাহিত্যিক ও ব্যবসায়ী। বর্তমানে সিলেট জেলার বিয়ানিবাজার উপজেলার জামেয়া আতহারুল উলুম আদিনাবাদ’র প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি খেলাফত মজলিস সহ বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়ীক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

অধ্যাপক মুহাম্মদ আবদুল জলিল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০০৩-০৪ অর্ধসেশন, ২০০৪-০৫ সেশন)। ১৯৭৫ সালে পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ (অনার্স), এম.এ (ইংরেজী সাহিত্য) ও ইস্টার্ন  ইউনিভার্সিটি থেকে এম.এ (ই.এল. টি) কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

তিনি একজন শিক্ষক, সম্পাদক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও তিনি ইবাইস ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক, দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটির সিনিয়র লেকচারার ও অনলাইন পোর্টাল আপডেট২৪. নেট এর প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০০৪-০৫, ২০০৫-০৬ সেশন)। ১৯৭৭ সালে ফেনী সদর থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এস.সি ও ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া থেকে কৃতিত্বের সাথে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন।

ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল একজন শিক্ষক, গবেষক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে  খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এছাড়াও তিনি নাগরিক শিক্ষা স্বাস্থ্য বিভাবক সোসাইটি (নাবিক) এর সভাপতি, অপটিমাম ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান, দারুল আজহার ফাউন্ডেশন এর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রভাষক মুহাম্মদ আবদুল করিম বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০০৬-০৭  সেশন)। ১৯৭৭ সালে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানায় জন্মগ্রহণ করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এস (ইসলামী শিক্ষা) ও জাতীয় আইন কলেজ মগবাজার থেকে এল.এল.বি কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

মুহাম্মদ আবদুল করিম একজন ব্যবসায়ি, শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিস হবিগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি চুনারুঘাট নুরুল হুসাইন নুরানী মহিলা দাখিল মাদরাসার প্রধান পরিচালক, ইছামতি প্রপার্টিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান, চুনারুঘাট প্রতীক বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি ও বৈশাখী পরিবার শায়েস্তাগঞ্জ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।

মুফতি মুহাম্মদ হুজাইফা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০০৭-০৮ অর্ধসেশন)। ১৯৭৫ সালে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মুন্সীবাড়ী নামে খ্যাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী থেকে তাকমীল ফীল হাদীস, আল জামেয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া থেকে ইফতা ও ছিপাতলী জামেয়া গাউছিয়া হাটহাজারী থেকে কৃতিত্বের সাথে কামিল সম্পন্ন করেন।

মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ হুজাইফা একজন শিক্ষক, লেখক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে  খেলাফত মজলিস ঢাকা জেলা শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ঢাকা জেলার ধামরাই থানার ইসলামপুরে অবস্থিত কাসিমুল উলূম শরীফিয়া মাদাসার শিক্ষাসচিব হিসেবে কর্মরত আছেন।

এডভোকেট তাওহীদুল ইসলাম তুহিন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০০৭-০৮ অর্ধসেশন, ২০০৮-০৯ ও ২০০৯-১০ সেশন)। ১৯৮০ সালে মানিকগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কৃতিত্বের সাথে এল.এল.বি সম্পন্ন করেন।

তাওহীদুল ইসলাম তুহিন একজন আইনজীবী, ব্যবসায়ি ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বিশ্বাস পাড়া বাড়াই ভিকরা জামে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি সহ বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়ীক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

এডভোকেট হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ শায়খুল ইসলাম বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০১০-১১ সেশন)। ১৯৮২ সালে কক্সবাজার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কক্সবাজার হাশেমিয়া আলীয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল, চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল,এল,বি (অনার্স), ও এল.এল.এম কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন  করেন।

হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ শায়খুল ইসলাম বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

মাওলানা মুহাম্মদ আবুল কাশেম বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ সেশন)। ১৯৮৩ সালে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মৌলভীবাজার বশিরিয়া আরাবিয়া টাইটেল মাদরাসা থেকে তাকমিল ফীল হাদীস ও ঢাকা নয়াটোলা আলীয়া মাদরাসা থেকে কৃতিত্বের সাথে কামিল সম্পন্ন করেন।

মাওলানা মুহাম্মদ আবুল কাশেম একজন মুহাদ্দিস ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে মৌলভীবাজার বশিরিয়া আরাবিয়া টাইটেল মাদরাসার মুহাদ্দিস হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০১৩-১৪ সেশন)। ১৯৮৩ সালে ফেনী জেলার সদর থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি থেকে কৃতিত্বের সাথে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও এমবিএ সম্পন্ন করেন।

আবদুল হাফিজ খসরু একজন কম্পিউটার প্রকৌশলী, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় শিশু কিশোর পত্রিকা মাসিক ‘ফুলের হাসি’র সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি, অনলাইন পোর্টাল দেশ নিউজ ডট নেট এর সহযোগী সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মাওলানা সোহাইল আহমদ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ সেশন)। ১৯৮৮ সালে  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কৃতিত্বের সাথে তাকমিল ফীল হাদিস, দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটি থেকে বিএ (অনার্স) ইসলামিক স্টাডিজ ও ঢাকা সরকারি আলীয়া মাদরাসা থেকে ফাজিল সম্পন্ন করেন।

মাওলানা সোহাইল আহমদ একজন শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে শ্রীমঙ্গল দারুল আজহার ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি খেলাফত মজলিস সহ বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়িক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

মাওলানা আজীজুল হক বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন (২০১৬-১৭ সেশন)।

তিনি গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কওমী মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড থেকে কৃতিত্বের সাথে দাওরায়ে হাদীস, সরকারি মাদ্রাসাই আলিয়া-ঢাকা থেকে কামিল এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে কৃতিত্বের সাথে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন।

মাওলানা আজীজুল হক একজন শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে উত্তরা দারুল আজহার মডেল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি খেলাফত মজলিস সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।