শহীদবৃন্দ

এ কাফেলার শহীদবৃন্দ


১৯৯৪ সালের ৩০ জুন, বৃহস্পতিবার নাস্তিক-মুরতাদ তসলিমা নাসরিনের শাস্তির দাবিতে আলেমওলামার আহ্বানে দেশব্যাপী হরতাল চলছিল। ঈমান রক্ষার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে কিশোরঞ্জের রাজপথে পেটোয়া পুলিশ বাহিনীর গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন- ইসলামী ছাত্র মজলিসের কিশোর কর্মী শহীদ আরমান হোসেন।

২০০১ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আল কুরআনের বিধান ফতোয়া রক্ষার আন্দোলনে বি-বাড়িয়ায় শাহাদাত বরণ করেন শহীদ তাজুল ইসলাম। তিনি ইসলামী ছাত্র মজলিসের কর্মী ছিলেন।

২০০১ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি আল কুরআনের বিধান ফতোয়া রক্ষার আন্দোলনে বি-বাড়িয়ায় শাহাদাত বরণ করেন শহীদ সাইফুল ইসলাম। তিনি ইসলামী ছাত্র মজলিসের কর্মী ছিলেন।

২০০২ সালের ১৫ আগস্ট ঢাকার মালিবাগে আল্লাহর ঘর মসজিদ রক্ষার আন্দোলনে শাহাদাত বরণ করেন শহীদ হাফেজ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া।

২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি নাস্তিক-মুরতাদ ব্লগারদের শাস্তির দাবিতে হেফাজতে ইসলাম ঘোষিত হরতাল কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইরে পুলিশের গুলিতে বিদ্ধ হয়ে শহীদ হন শহীদ শাহ আলম।

২০১৩ সালের ৫ মে নাস্তিক মুরতাদদের শাস্তির দাবিতে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে শাপলাচত্বরে আওয়ামী হায়েনাদের গুলিতে শাহাদাতের অমীয় পেয়ালা পান করেন- শহীদ মুহাম্মদ আনোয়ার শাহ

২০১৪ সালের ৪ জানুয়ারি দিবাগত রাতে ধামরাইস্থ ছাত্রাবাস থেকে আওয়ামী পুলিশ গ্রেফতার করে ইসলামী ছাত্র মজলিসের তৎকালীন ঢাকা জেলা সভাপতি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে। দীর্ঘ সাড়ে চার মাস কারাগারে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রচণ্ডভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। অসুস্থতার এক পর্যায়ে ১৬ এপ্রিল ২০১৪ সম্পূর্ণ অজ্ঞান অবস্থায় কারা পুলিশ তাঁকে ঢাকা মেডিকেল ভর্তি করে। ২৮ এপ্রিল রাজধানীর বারাকাহ কিডনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।