ছাত্র মজলিসের ষান্মাসিক অধিবেশনে কওমি মাদ্রাসা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ

ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদের ষান্মাসিক সাধারণ অধিবেশন অনুষ্ঠিত-
ক্বওমী মাদ্রাসা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য ঔদ্ধত্যের পরিচায়ক ———–বিলাল আহমদ চৌধুরী
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিলাল আহমদ চৌধুরী বলেছেন, ক্বওমী মাদ্রাসা নিয়ে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রীর করা বক্তব্য অপ্রত্যাশিত ও স্পষ্ট ধর্মীয় চেতনা এবং স্বাধীনতা-বিরোধী। তিনি বলেন, এদেশ হচ্ছে মুসলিম অধ্যুষিত পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম মুসলিম প্রধান দেশ। মুসলমানদের চিন্তাধারা এবং শিক্ষা সংস্কৃতি-ই এই দেশের মানুষের সমাজ সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুতরাং এদেশে ধর্মীয় চর্চা হওয়া কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সহজে গড়ে ওঠা-ই স্বাভাবিক এবং সমাজের কল্যাণ-সাধনের জন্য আবশ্যকীয়-ও। কারণ আবহমানকাল থেকেই ক্বওমী মাদ্রাসা শিক্ষা এদেশের মানুষের ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক চরিত্র-সম্পন্ন জাতিগঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সুতরাং সমাজের ভারসাম্য’র প্রয়োজনে ক্বওমী মাদ্রাসা আরও বহুগুণ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দরকার। অথচ শিক্ষামন্ত্রী ক্বওমী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হওয়া-কে তিনি নেতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। যা দুর্ভাগ্যজনক। তাই শিক্ষামন্ত্রী-কে এমন ধর্মবিরোধী মন্তব্যের জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানান তিনি।
গত ৭ ও ৮ মার্চ (বৃহস্পতি ও শুক্রবার ) ২০২৪ তারিখে সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদের ষান্মাসিক সাধারণ অধিবেশনের সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
২ দিনব্যাপী উক্ত অধিবেশনে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল কাদির সালেহ, অধ্যাপক আব্দুল জলিল, তাওহীদুল ইসলাম তুহিন।
অধিবেশনের শুরুতে দারসে কুরআন পেশ করেন সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মুস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল।
উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ রায়হান আলী, প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্পাস কার্যক্রম সম্পাদক কে এম ইমরান হোসাইন, প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর হোসাইন, বায়তুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ ইসমাইল খন্দকার, অফিস ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম , পাঠাগার ও মাদ্রাসা কার্যক্রম সম্পাদক আহসান আহমাদ খান, প্রচার ও স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক জাকারিয়া হোসাইন জাকির, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য নুর মোহাম্মদ, লিটন আহমদ জুম্মান, মাহমুদুল হাসান ত্বহা।