ছাত্র মজলিসের কর্মশালা: ভারতের রেল চলার অনুমোদন অরক্ষিত স্বাধীনতার নামান্তর

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে নির্ধারিত সহযোগী সদস্যদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের রেল চলার অনুমোদন অরক্ষিত স্বাধীনতার নামান্তর
—— বিলাল আহমদ চৌধুরী
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি আমাদের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গিয়ে, ভারতের রেল বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে তাদের অভ্যন্তরে চলাচলের ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছেন অথচ বহুকাল ধরে চলতে থাকা তিস্তা সংকটের কোন সমাধান হয়নি। অন্যদিকে সীমান্ত হত্যা-ও ক্রমবর্ধমান। পাশাপাশি জুলাইয়ের ২য় সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে যাচ্ছেন। চীন সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকে ” প্রেসক্রিপশন নিয়ে আসার ” সাথে তুলনা করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা। অর্থাৎ, ঘটনাসমূহের ক্রমধারা অনুযায়ী মনে হচ্ছে, ভারতীয় আগ্রাসনের অকুণ্ঠ সহযোগী হচ্ছে আমাদের সরকার এবং ভারতকে যত পারা যায় তত দেওয়ার নীতি অবলম্বন করছে আওয়ামীলীগ।
অথচ দেশে নানান সংকট বিদ্যমান তা নিয়ে ভ্রুক্ষেপ নেই সরকারের। দুর্নীতি করে অনেকে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যাচ্ছে, দেশের টাকা বিদেশে জ্যামিতিক হারে পাঁচার হচ্ছে, দেশে শ্রেণী-বৈষম্য ক্রমান্বয়ে আকাশচুম্বী হচ্ছে, প্রশ্নবিদ্ধ শিক্ষাক্রম এবং শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ছাড়াই আগামী মাসে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণীর পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে এসব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে আমাদের সরকার একদম খামখেয়ালি। অর্থাৎ দেশের স্বাধীনতা এখন একটা নিদিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে এবং রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা ওঁরা পাশ্ববর্তী দেশে ক্ষমতার বিনিময়ে বিক্রিতে মত্ত হয়ে পড়েছে। আজ ২৯ জুন ২০২৪, শনিবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে নির্ধারিত সহযোগী সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কর্মশালার ২য় দিনের সমাপনী অধিবেশনে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সংগঠনের মুহতারাম কেন্দ্রীয় সভাপতি বিলাল আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ রায়হান আলীর পরিচালনায় গত ২৮ ও ২৯ জুন (শুক্রবার, শনিবার) সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিভিন্ন অধিবেশনে আলোচনা রাখেন, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব এবি এম সিরাজুল মামুন, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল জলিল, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু।
অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্পাস কার্যক্রম সম্পাদক কে এম ইমরান হোসাইন, প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর হোসাইন, বায়তুলমাল সম্পাদক ইসমাইল খন্দকার, অফিস ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, পাঠাগার ও মাদ্রাসা কার্যক্রম সম্পাদক আহসান আহমদ খান, প্রচার ও স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক জাকারিয়া হোসাইন জাকির, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি নূর মোহাম্মদ, পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাহমুদুল হাসান ত্বহা প্রমুখ, খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসাধারণ সম্পাদক সম্পাদক কাজী আরিফ, সাবেক কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য শেখ সাব্বির আহমদ প্রমুখ।