বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ও গুরুতর আহত বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস মৌলভীবাজার শহর শাখার কর্মী নাঈম আহমদ রাফিকে দেখতে যান এবং সার্বিক খোঁজ খবর সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ রায়হান আলী।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে সারাদেশে ইসলামী ছাত্র মজলিসের অনেক ভাই গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালের বেডে এবং বাড়ির বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছেন । তাদের মধ্যে নাঈম আহমদ রাফি অন্যতম
বি.দ্র নাঈম আহমদ রাফি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শুরু থেকেই সক্রিয় ছিল। সর্বশেষ বিজয়ের আগের দিন ৪তারিখ মৌলভীবাজার শহরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ এবং সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগ যখন নির্বিচারে গুলি করে এবং বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে আঘাত শুরু করে। তখন একটি শিশু ও কয়েকজন ছাত্রী আহত হয় এবং রাস্তার পড়ে যায়।
রাফি নিজের প্রাণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে রক্তাক্ত বাচ্চাটিকে কলে তুলে নেন এবং রাস্তায় পড়ে থাকাদের হেল্প করতে এগিয়ে আসলে পুলিশ ও সন্ত্রাসী বাহিনীর অস্ত্রাঘাতে গুরুতর আহত-গুলিবিদ্ধ হয়ে নিজেও রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। কয়েকজন ভাইয়ের সহযোগিতায় একটি বাথরুমে ২ ঘন্টা পড়ে থাকার পর তাকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য গেলেও তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।
পরবর্তীতে তার গুরুতর অপারেশন করা হয়। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারবে কিনা আল্লাহ ভালো জানেন। প্রায় লক্ষাধিক টাকা ইতোমধ্যেই খরচ হয়ে গেছে। তাকে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।
আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং আন্দোলনের মাঠে আবারও ভুমিকা রাখার তৌফিক দান করেন। আমীন